Loading, please wait...
Loading, please wait...
কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা - ক্যারিয়ার গড়ার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় এবং কার্যকর মাধ্যম
পলিটেকনিক হলো একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে মূলত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (Diploma in Engineering) কোর্স করানো হয়। এটি সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার এইচএসসি (HSC) এর সমমান কিন্তু এটি মূলত টেকনিক্যাল বা বৃত্তিমূলক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেয়।
সাধারণত এসএসসি পাশের পর শিক্ষার্থীরা ৪ বছর মেয়াদী এই কোর্সে ভর্তি হতে পারে। এখানে পড়াশোনার প্রায় ৮০% থাকে প্র্যাকটিক্যাল বা হাতে-কলমে কাজ এবং বাকি ২০% থাকে তাত্ত্বিক বিষয়।
পলিটেকনিক থেকে পাশ করার পর খুব দ্রুত চাকরিতে প্রবেশ করতে পারবেন। ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে দক্ষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
বইয়ের পড়ার চেয়ে ল্যাবরেটরি বা ওয়ার্কশপে কাজ শিখতে বেশি সময় ব্যয় করা হয়। কর্মক্ষেত্রে গিয়ে নতুন করে কাজ শেখার প্রয়োজন হয় না।
সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং (B.Sc) পড়ার চেয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার খরচ তুলনামূলক অনেক কম। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি একটি বিশাল সুযোগ।
ডিপ্লোমা শেষ করার পর সরাসরি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ২য় বর্ষে ভর্তির সুযোগ পাবেন। DUET সহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সুযোগ রয়েছে।
সরকারের প্রায় প্রতিটি বিভাগে (পিডিবি, ওয়াসা, রেলওয়ে) উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ১০ম গ্রেডে সরাসরি যোগদানের সুযোগ থাকে।
কারিগরি কাজ শেখার ফলে চাকরি না করলেও নিজেই ছোটখাটো ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান শুরু করতে পারবেন (যেমন: ইলেকট্রনিক্স শপ, অটোমোবাইল গ্যারেজ)।
কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বিদেশে (ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং জাপানে) উচ্চ বেতনে চাকরির প্রচুর সুযোগ থাকে।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| কোর্সের নাম | ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং |
| মেয়াদ | ৪ বছর (৮টি সেমিস্টার) |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | ন্যূনতম এসএসসি বা সমমান পাশ |
| মূল ফোকাস | হাতে-কলমে শিক্ষা ও প্রায়োগিক জ্ঞান |
| চাকরির পদমর্যাদা | উপ-সহকারী প্রকৌশলী (২য় শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার সমমান) |
* সর্বশেষ অফিসিয়াল ভর্তি নির্দেশিকা দেখেই চূড়ান্ত তথ্য নিশ্চিত করা উচিত।
পলিটেকনিক শিক্ষা আপনাকে কেবল একটি সার্টিফিকেট দেয় না, বরং আপনাকে একজন দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। বর্তমান যুগে পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে দক্ষতার মূল্য অনেক বেশি।